ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, ডিএনএ টেস্ট বাধ্যতামূলক
প্রকাশিত: ১৩:০২, ১৮ নভেম্বর ২০২০
ছবি-সংগৃহীত
ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান করে জাতীয় সংসদে ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) বিল-২০২০’ পাস করা হয়েছে। আইনে ‘ধর্ষিতা’ শব্দটি বদলে ‘ধর্ষণের শিকার’ শব্দ যুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন। পরে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) বিলে বিদ্যমান আইনের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধানের স্থলে মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধানের প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া বিলে ধর্ষণের শিকার ও অভিযুক্তের ডিএনএ টেস্ট বাধ্যতামূলক করার বিধান রয়েছে।
এর আগে, সন্ধ্যা ৬টা ৫ মিনিটে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনের শুরুতে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা ও উত্তর টেবিলে উপস্থাপন করা হয়। ৭১ বিধিতে জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশের কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়, নারী ও শিশু ধর্ষণ একটি জঘন্য অপরাধ। এসব অপরাধ কঠোরভাবে দমনের উদ্দেশ্যে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০ প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু বিদ্যমান আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নের মধ্যে দেশে নারী ও শিশু ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ সংঘটন সামাজিক গতিশীলতায় নেতিবাচক প্রভাব ও সার্বিক সামাজিক উন্নয়নের ধারা বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এমন অপরাধ দমনে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। এমতাবস্থায় আইনে সর্বোচ্চ দণ্ডের বিধান যুক্ত করে এই বিলটি আনা হয়েছে।
সম্প্রতি বেশ কয়েকটি আলোচিত ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনায় দেশজুড়ে ধর্ষণ ও নির্যাতন বিরোধী আন্দোলন গড়ে ওঠে। আন্দোলনকারীরা ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করার দাবি জানান। এরই ধারাবাহিকতায় সরকার আইনটি সংশোধনের সিদ্ধান্ত নেয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৩ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি সংশোধিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ জারি করেন। এ অধ্যাদেশের আইনি ধারাবাহিকতায় এ বিলটি পাস করা হয়েছে। গত ৮ নভেম্বর রাষ্ট্রপতির জারি করা অধ্যাদেশটি সংবিধান অনুযায়ী সংসদে উত্থাপন করা হয়।
এছাড়া সংসদে আকাশ পথে পরিবহন (মন্ট্রিল কনভেনশন) বিল, ২০২০ পাস করা হয়। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন।
বিল দুটি পাসের প্রক্রিয়ায় জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমাম, পীর ফজলুর রহমান, শামীম হায়দার পাটোয়ারী, বিএনপির হারুনুর রশীদ, মোশাররফ হোসেন, বেগম রুমিন ফারহানা এবং স্বতন্ত্র সদস্য রেজাউল করিম বাবলু জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে প্রেরণ ও সংশোধনী প্রস্তাব আনলে তা কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়।
বঙ্গবাণী/এমএস
- ৮ সপ্তাহের আগাম জামিন পেলেন নিক্সন চৌধুরী
- প্রকাশ হলো ধর্ষণের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ডের গেজেট
- ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, ডিএনএ টেস্ট বাধ্যতামূলক
- শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার
- এসিআইকে কোটি টাকা জরিমানা, দুই দিনে পণ্য সরিয়ে ফেলারও নির্দেশ
- নিক্সনের বিরুদ্ধে মামলা
- মানবতাবিরোধী অপরাধ
কায়সারের মৃত্যু পরোয়ানা ট্রাইব্যুনালে পৌঁছেছে - ভিপি নুরের বিরুদ্ধে মামলা, পিবিআইকে প্রতিবেদন জমার নির্দেশ
- হাইকোর্টে নিক্সন চৌধুরী
- গাড়ি চালকের ২৪টি ফ্ল্যাট, ৩টি বাড়ি
- ‘ধর্ষণের ঘটনায় সালিশ বৈঠক কেন অবৈধ নয়’
- রিফাত হত্যা মামলায় আরো ৬ জনের কারাদন্ড
- পাপিয়া দম্পতির ২৭ বছরের কারাদণ্ড
- ৩২ বছরের মামলা ৩ মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ
- স্বাস্থ্য অধিদফতরের সেই গাড়িচালক র্যাবের হাতে আটক
সহকর্মিদের ষড়যন্ত্রে মানবেতর জীবনযাপন, ন্যায় বিচার চান অধ্যক্ষ
ফরিদপুরে জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল
এবার ‘বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী’ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা রাশিয়ার
ফরিদপুরে অবৈধভাবে মাছ মজুদ ও বিক্রি, ব্যবসায়ীকে ১ লাখ টাকা জরিমান
মডেল বানানোর প্রলোভনে পতিতালয়ে বিক্রি, আসামির ৭ বছরের কারাদণ্ড
‘মাদক নির্মূলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ১১০% সহযোগিতা করতে হবে’
‘গণমাধ্যমকে বস্তুনিষ্ঠতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে’

